সে আমার সহবাস সঙ্গী নয় সে আমার মা
আমার মা আমার সব আমার দুনিয়া। আমার মা আমার ইহকাল আমার পরকাল। আমার বাপ ছিলো একটা কুত্তার বাচ্চা আর তার বাপ ছিলো এক বড় কুত্তা। আমার বাপের বাপ বড় কুত্তাটা ছিলো বকুলগড়ের জমিদার । জায়গাজমি, ধন-সম্পদ, চাকর-চাকরানীর কোনো অভাব ছিলো না। বকুলগড়ের জমিদার খাজনার জন্য কখনো কাউকে শাস্তি দেয়নি কিন্তু সে এতোটাই কাম লোভী ছিলো যে তার প্রজাদের বউ কন্যারা তার লালসা ভরা দৃষ্টি থেকে রেহাই পায়নি । জমিদার নায়েব ছিলেন আইনুদ্দিন শেখ তার একমাত্র কন্যা আয়েশা শেখও রেহায় পায়নি জমিদারের এই হিংস্র থাবা থেকে। জমিদারের নিয়ম করে প্রতি রোববার একটি গোলাপ লাগতো। তার জলসা ঘরে গোলাপ গুলোকে জমিদারের বিলাতী বন্ধুর দেয়া মদের বোতলের পাশে পাপড়ি খুলে সাজিয়ে রাখা হতো আর এই গোলাপ গুলো জোগাড় করার দায়িত্ব ছিলো নায়েব আইনুদ্দিন শেখের। এক রোববার আইনুদ্দিন শেখের কন্যা আয়েশা শেখ অসুখ ঘরে শুয়ে। জমিদারের পেয়াদা এসে আইনুদ্দিন শেখ কে বললো নায়েব সাহেব জমিদার বাবুর জলসা ঘরে গোলাপ নেই। কেনো নেই জমিদার বাবু জানতে চেয়েছেন। আইনুদ্দিন শেখ ১৪ বছরের কন্যা আয়েশা শেখের মাথায় হাত বুলিয়ে বলে পেয়াদা তুমি জমিদার বাবুকে গিয়ে বলো আমি এই পাপ কাজ আর পারবো না। অন্যের গোলাপ ছিঁড়তে গিয়ে আজ নিজের গোলাপ টাই হারাতে বসেছি। যাও তুমি জমিদার কে বলো আমি আর এ কাজ পারবো না। হিংস্র জমিদার পেয়াদাকে হুকুম করে নায়েব আইনুদ্দিন শেখ কে হত্যা করে তার কন্যা আয়েশা শেখ কে জলসা ঘরে নিয়ে আসতে। যে আদেশ সে কাজ পেয়াদার দল আইনুদ্দিন শেখকে বর্শার এক কোপে তার দেহ থেকে মাথা আলাদা করে ফেলে। মাটিতে পরে থাকা আইনুদ্দিন শেখের কাটা মাথা তার কন্যা আয়েশা শেখের দিকে তাকিয়ে নিরব চোখের পানি ফেলে বলতে চাইলো মাগো আমায় ক্ষমা করিস। মাগো আমায় ক্ষমা করিস। জলসা ঘরে ঢুকে জমিদার যখন এক অসুস্থ বাচ্চা মেয়ে কে পরে থাকতে দেখলো সে মেজাজ গরম করে সবাইকে বললো এ কেমন গোলাপ যাকে দেখে চোখ জ্বালা করছে! এ কেমন ফুল যার গন্ধে পাকস্থলি মুখে চলে আসছে ! এ গোলাপের প্রতি কেনো এতো অবহেলা । জমিদার দাসী দের চৌদ্দ গৌষ্ঠি উদ্ধার করে বলে এই গোলাপ আমার জীবনের সেরার সেরা গোলাপ। তোমরা এর যত্ন নিবে পরিচর্যা করবে আমি সময়ের অপেক্ষা করবো। জমিদার এক কন্যা ছিলো দৃষ্টি প্রতিবদ্ধী। সবাই বলতো জন্মের পর আতুর ঘরে এক অদ্ভুত আলোয় জমিদার কন্যার চোখের আলো চিরদিনের জন্য নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক ডাক্তার কবিরাজ আসলো। বিলেত থেকে জমিদার বন্ধু ডাক্তার নিয়ে আসলো কিন্তু সবাই ব্যর্থ হলো। প্রজারা বলতো এ হলো বিচারপতির বিচার। আয়েশা শেখ সুস্থ হবার পর জমিদার কন্যার পুতুল যুবরাজের সংগে তার পুতুলের বিয়ে দিতে গিয়ে তারা দুজন সই পাতলো। সপ্তাহ খানেক পর জমিদার এক রাতে নিজ কন্যাকে দেখতে গিয়ে তার পাশে ঘুমন্ত অর্ধ নগ্ন আয়েশা শেখকে দেখে নিজের কাম বাসনা পূর্ণ করার খায়েশ মিটাতে সেই সয়ন কক্ষেই আয়েশা শেখের মুখ চেপে প্রথম ধর্ষন করে। আমার বাপ কুত্তার বাচ্চা টা এই আয়েশার পেটেই জন্ম নেয়। এই কুলাংগারকে জন্ম দিতে গিয়েই মারা যায় ১৬ বছর বয়সী কিশোরী আয়েশা শেখ। জমিদার কন্যাও আয়েশা শেখের মৃত্যুর পর হঠাৎ উধাও হয়ে যায়। এতো দাস-দাসী থাকার পরেও জমিদার কন্যা কী করে উধাও হলো তা কেউ জানে না তবে একবার এক পেয়াদা বলেছিলো আইনুদ্দিনের লাশ যে উঠানে পরেছিলো সেখানে জমিদার কন্যাকে কাঁদতে দেখা গিয়েছিলো। এক জেলে প্রজা এসে একদিন বললো গঙ্গার জলে জমিদার কন্যার নগ্ন লাশ উঠেছে তবে দেহের সংগে মাথা নেই। আমার বাপ কুত্তার বাচ্চা জমিদারের সব ধন-সম্পদ অর্থ মদ জুয়া নারীর পিছনে ঢেলে শেষে আমার মা বেশ্যা পাড়ার আলেয়া বিবিকে কে বিয়া করে। আমার বাপ কুত্তার বাচ্চা এতোটাই খারাপ ছিলো আমার মা কে বিয়ার পরেও অন্য পুরুষের সংগে সে শুইয়েছে। আমি যখন পেটে তখনও সে তার স্বার্থের জন্য এক মদের দোকানদারের সাথে মা কে রাতা কাটাতে বাধ্য করেছে। আমার মা আমাকে খুব আদর করতো। মা আমার কপালে গাড়ো কালির কালো টিপ দিতো আর বলতো আব্বা আমার রাজকুমার। একটু বড় হওয়ার যখন অল্প অল্প বুঝার বয়স হইলো তখন লোকে আমাকে যারজ বলে ডাকতো। বলে আমার নাকি বাপের ঠিক নাই। তারা বলে আমি বেশ্যার পোলা আমার মা নাকি মাগি পাড়ার বড় রেটওয়ালা মাগি। একবার এক খেলার বন্ধুর বাড়িতে গেলাম। তার বাপ আমারে একা পায়া বলে যৌওয়ান থাকতে তোমার মায়ের ঘরে কত গেছি হিসাব নাই। আমার মায়ের স্তনের কোথায় কয়টা তিল আসে সব সে জানে। আমারো ভাগ্য এগুলো শুনে অভ্যাস হয়ে গেছে তবে যতোই শোনার অভ্যাস থাকুক সে ত আমার মা শুনতে একটু লাগে । সে মাগি বেশ্যা যাই হোক সে ত আমার মা সে আমাকে গর্ভে রাখছে করেছে আমাকে তার স্তনের দুধ পান করাইছে আমি কী করে তার নিকট দেহের জ্বালা মিটাতে যাই ! অবাক হলেন । অবাক হবার ই কথা । আপনাদের ভদ্র সমাজের আপনাদের ধর্মের মানুষ ই আমাকে আমার মায়ের সংগে সহবাস করার কথা জিগাসা করেছে। আপনারাই বলেন আমি কী জবাব দিবো? আমি কী বলবো যে হ্যাঁ আমি আমার মায়ের সংগে সহবাস করেছি! সে ত আমার মা সে ত আমার সহবাস সঙ্গী না সে যে আমার মা। আমার গর্ভধারিনী মা।
Comments
Post a Comment